সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬,
ভারতের রাজনীতি

দিল্লিতে বিরোধীদের বিক্ষোভের ডাক নিরাপত্তায় ৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অক্টোবর ১২, ২০২৬, ১০:৩০ এএম

দিল্লিতে বিরোধীদের বিক্ষোভের ডাক নিরাপত্তায় ৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

দিল্লিতে বিরোধীদের বিক্ষোভের ডাক আসায় ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ইন্ডিয়া নতুন করে এই রাজপথের আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিরোধীরা দলবদ্ধভাবে কনট প্লেস থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত পদযাত্রা করার চূড়ান্ত পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। এই মিছিলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি অংশ নেবেন বলে কথা রয়েছে।

কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য হলো ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক স্মারকলিপি প্রদান করা। তবে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার আগেই আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। প্রধান বিচারপতি বিরোধী জোটের পক্ষ থেকে চাওয়া সাক্ষাতের আবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে খারিজ করে দিয়েছেন।

স্মারকলিপি জমার অনুমতি না মিললেও কর্মসূচি থেকে পিছু হটছে না বিরোধীরা। রাহুল গান্ধী নাগরিক সমাজ এবং তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ‘চলো দিল্লি’ অভিযানে শামিল হতে বলেছেন। ভারতীয় সময় সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে কনট প্লেস থেকে মিছিলটি সুপ্রিম কোর্টের অভিমুখে যাত্রা করার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিরোধীদের এই ধারাবাহিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে দিল্লি পুলিশ।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনার আলোকে দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি মেট্রো স্টেশন সোমবার সকাল ছয়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত সাধারণ যাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মূল বিরোধী জোটের পাশাপাশি ককরোচ জনতা পার্টিও পৃথকভাবে রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে।

দলটির নেতারা দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করার আনুষ্ঠানিক অনুমতি চেয়ে সোমবার স্থানীয় সংসদ মার্গ থানায় যাবেন। এই কর্মসূচিতে ককরোচ জনতা পার্টির সহ-সমন্বয়ক সৌরভ দাস, সংগঠনের আইনি শাখার প্রধান রত্না সিংসহ শীর্ষস্থানীয় অন্যান্য নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।