সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

১৩ নভেম্বর কী হবে, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দেশবাসী: বললেন জিল্লুর রহমান

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ১১, ২০২৫, ১২:২৯ পিএম

১৩ নভেম্বর কী হবে, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দেশবাসী: বললেন জিল্লুর রহমান

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জনপ্রিয় উপস্থাপক জিল্লুর রহমান দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে মন্তব্য করেছেন যে, জুলাই সনদের সমঝোতা ব্যর্থ হওয়ায় আগামী ১৩ নভেম্বর কী ঘটতে যাচ্ছে।

তা নিয়ে দেশবাসী চরম উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠায় রয়েছে।জিল্লুর রহমান উল্লেখ করেন, সরকার সাত দিন সময় বেঁধে দিয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলোকে সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য,

কিন্তু সেই সময় ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গেছে এবং দৃশ্যত কোনো সমঝোতা হয়নি। এখন সরকার কী সিদ্ধান্ত দেবে, তা নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার যে সিদ্ধান্তই দিক না কেন, সেটা কারো না কারো পক্ষে যাবে।বিশ্লেষণে তিনি বলেন, আগামী ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে বেশ কিছু ঘটনা একই সময়ে ঘটছে, যা পরিস্থিতিকে আরও থমথমে করে তুলেছে। জামায়াতে ইসলামী তাদের দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার এবং ঢাকাকে অচল করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও ওই দিন লকডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একটি মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ গোটা দেশে চরম একটা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও থমথমে ভাব বিরাজ করছে, যা গণমাধ্যম মনোযোগের কেন্দ্রে রয়েছে।জিল্লুর রহমান বলেন, গত দু-তিন দিন ধরে রাজনৈতিক করিডরে একটি আলোচনা চলছে যে, সরকার দুই প্রধান পক্ষকে খুশি করার চেষ্টা করতে পারে।

এই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে একটি ধারণা: বিএনপিকে খুশি করার জন্য জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট একই দিনে দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, জামায়াতকে খুশি করতে উচ্চকক্ষে পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) দেওয়া হতে পারে। তবে এই পিআর-কে বিএনপি মানতে প্রস্তুত কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জামায়াত তাদের দাবিতে অনড় যে গণভোট আগে হতে হবে। কারণ তাদের সেই বিশ্বাস নেই যে, জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট একই দিনে হলে তারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাবে। জিল্লুর রহমান মন্তব্য করেন, জামায়াত তাদের রাজনীতির ইতিহাসে সবচাইতে মোক্ষম সময়টাতে অবস্থান করছে।