জুলাই ২৮, ২০২৬, ০৮:০৬ পিএম
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ফেসবুক পেজ থেকে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদকে জড়িয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আপত্তিকর ও সম্পূর্ণ ভুয়া ছবি এবং ভিডিও ছড়ানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ ঘটনার পর প্রতিমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তিনি নিজে দাবি করেছেন।
আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার করে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের টার্গেট করার এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ডিপফেক ও এআই প্রযুক্তির এমন অপব্যবহার জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, ছড়ানো ভিডিওগুলোতে অন্য ব্যক্তির শরীরে প্রতিমন্ত্রীর মাথা নিখুঁতভাবে বসিয়ে এবং এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ঠোঁটের নড়াচড়া তৈরি করে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রস্তুত করা হয়েছে।
যে পেজটি থেকে এসব ভিডিও ছড়ানো হয়েছে, তার পূর্বের পোস্টগুলো নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রচারমূলক বলে জানা গেছে। সম্প্রতি দলের এক নেতার বিরুদ্ধে ওঠা আপত্তিকর পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার হীন উদ্দেশ্যে এই সাইবার অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, বিগত কয়েক দিন ধরে সাংবাদিক পরিচয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র তার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল।
চাঁদা না পেয়ে এবং একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে তার দেওয়া বক্তব্যের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওই চক্রটি এই অপপ্রচারের পথ বেছে নিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। প্রতিমন্ত্রীর কাছে চাঁদা দাবির বেশ কিছু অডিও রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে, যেখানে এক ব্যক্তিকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আর্থিক দাবি জানাতে স্পষ্ট শোনা গেছে।সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তি অপব্যবহার করে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রোধে কঠোর সাইবার নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন