রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

উমামাকে দেখলেই আমার মেরুদণ্ড সোজা হয়ে যায়: তাসনিম জারা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুলাই ২৯, ২০২৬, ১০:৫৯ এএম

উমামাকে দেখলেই আমার মেরুদণ্ড সোজা হয়ে যায়: তাসনিম জারা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমার প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন ও দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী তাসনিম জারা। মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করা ওই পোস্টে তিনি নতুন রাজনৈতিক ধারায় উমামা ফাতেমার নৈতিক অবস্থান ও আপসহীন ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তার এই পোস্টটি প্রকাশের পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং সাধারণ মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সৎ ও আদর্শবাদী নেতৃত্ব নিয়ে নানা ইতিবাচক মতামত উঠে এসেছে।ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা উল্লেখ করেন যে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমাকে যখনই মঞ্চে কথা বলতে দেখা যায়, তখন তার নিজের মেরুদণ্ড আরও সোজা হয়ে যায়। নতুন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন নিয়ে কাজ করতে গিয়ে যাদের মুখ মানুষের মনে ভরসার প্রতীক হয়ে ওঠে, উমামা ফাতেমা তাদের মধ্যে অন্যতম বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর উমামা ফাতেমা, নুসরাত তাবাসসুম এবং প্রয়াত রাফিয়া সুলতানা রাফির একটি সাক্ষাৎকার দেখার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি বলেন যে, সেই সাক্ষাৎকারটি তাকে রাজনীতিতে আসার পেছনে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।রাজনীতিতে নৈতিক অবস্থান অটুট রাখার চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তাসনিম জারা দাবি করেন যে, উমামা ফাতেমা চাইলে খুব সহজেই ক্ষমতার কাছাকাছি যেতে পারতেন। 

কিন্তু তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং ডাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্যানেল নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নিজের আদর্শে অবিচল থেকেছেন। হাতের নাগালের ক্ষমতাকেও না বলার মানসিকতাই তাকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা করেছে বলে মনে করেন তিনি। উমামাকে নিয়ে অনেকেই দীর্ঘশ্বাস ফেললেও তার প্রকাশ্য উপস্থিতি নিজেকে নতুন করে লড়াই করার সাহস জোগায় বলে তিনি পোস্টে ব্যক্ত করেন।নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশ ও সৎ নেতৃত্বের মূল্যায়নে তরুণ এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।