জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম
৯ম জাতীয় বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি এবং জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে নতুন বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই দাবি তোলা হয়েছে।
বুধবার ২৮ জানুয়ারি জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজীর সই করা এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচির বিস্তারিত জানানো হয়। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী ২৯ জানুয়ারি দেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বিক্ষোভ পালন করা হবে।
এরপর ৩০ জানুয়ারি রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে একটি বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। বিবৃতিতে শিক্ষকরা অভিযোগ করেন যে জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ গঠনের পর দফায় দফায় দ্রব্যমূল্য বাড়লেও ৯ম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করতে বিলম্ব করা হচ্ছে।
এর ফলে সীমিত আয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের পক্ষে পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা প্রশ্ন তোলেন যে যদি পে-স্কেল জারিই না করা হয় তবে কমিশন গঠন করে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় কেন করা হলো। দাবি আদায় ঐক্য পরিষদও আগামী ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিসে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। তাদের এই আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট নিজস্ব কর্মসূচিগুলো ঘোষণা করেছে।
বিবৃতিতে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যদি ৯ম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করা না হয় তবে ৫ ফেব্রুয়ারি সারা দেশের সকল জেলায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষকরা। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে এই দাবিগুলো মেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন শিক্ষক নেতারা। তারা এই কর্মসূচিতে সকল শিক্ষক ও কর্মচারীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। মূলত জ্বালানি উপদেষ্টার একটি বক্তব্য শিক্ষকদের মানসিকভাবে আঘাত করেছে দাবি করে তা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবিও জোরালোভাবে জানানো হয়েছে এই সভা থেকে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন