ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ০৯:৫২ এএম
তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অংশগ্রহণ নিয়ে প্রবল অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শনিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এবং বিএনপি দলীয় সূত্রে জানানো হয় যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফসহ সার্কভুক্ত সব দেশের সরকারপ্রধানকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।
এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোকেও আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হচ্ছে। তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত এই শপথ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদির উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।
একই দিনে ভারতে সফরে আসছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং মুম্বাইয়ে তার সঙ্গে মোদির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এই পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে মোদি ঢাকা সফরে আসতে পারবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারতীয় কূটনৈতিক সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী মোদি আসতে না পারলেও ভারতের পক্ষ থেকে একজন জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি পাঠানো হতে পারে।
এক্ষেত্রে দেশটির উপ-রাষ্ট্রপতি কিংবা পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ঢাকা সফরে আসতে পারেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে মোদির এই না আসার পেছনে কেবল সময় স্বল্পতা নয় বরং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে দিল্লির সতর্ক অবস্থানও একটি কারণ হতে পারে। যদিও মোদি ইতিমধ্যে তারেক রহমানকে টেলিফোনে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং একসাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
দিল্লির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা তাড়াহুড়ো করে নয় বরং দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সাথে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায়। এই শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো জিয়াউর রহমানের সার্ক ভাবধারাকে পুনরায় চাঙ্গা করার একটি কৌশল হিসেবেও দেখা হচ্ছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন