বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

নিজ জেলা বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক

এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১০:২৮ এএম

নিজ জেলা বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর নিজ জেলা বগুড়ায় পৌঁছেছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে তিনি ঢাকা থেকে সড়কপথে রওনা হয়ে নির্ধারিত সময়েই জেলা সদরে এসে পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ সফরে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর পৈতৃক জেলা বগুড়ায় এটিই তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর। 

দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর তাঁর এই আগমনকে কেন্দ্র করে গোটা জেলায় এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।এর আগে সোমবার ভোর ৬টা ১০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে বগুড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। 

তাঁর এই সফরকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই বগুড়া শহর ও আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জেলা জজ আদালত, পৌরসভা ভবন, বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদ এবং বগুড়া প্রেসক্লাব ভবনকে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে। রাস্তার দুপাশে তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে গোটা শহর। 

স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এই সফরের মাধ্যমে জেলার দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত উন্নয়নমূলক কাজগুলোর গতি বাড়বে।সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী আজ বগুড়াকে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণা করবেন। এটি জেলার প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাসে এক বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এরপর তিনি জেলা জজ আদালতের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করবেন। দুপুরের দিকে তিনি গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীতে তাঁর পৈতৃক ভিটায় যাবেন। সেখানে পারিবারিক একটি কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন এবং স্থানীয় সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এছাড়া কৃষিকাজের সুবিধার্থে চৌকিরদহ খাল খননকাজেরও আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন তিনি।

বিকেলের দিকে প্রধানমন্ত্রী পুনরায় বগুড়া শহরে ফিরে আসবেন। সেখানে ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন। এই জনসভায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে আয়োজক পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে। জনসভা শেষে তিনি বগুড়া প্রেসক্লাবের নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জেলাজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে। স্থানীয় জনমনে আশা তৈরি হয়েছে যে, এই সফরের মধ্য দিয়ে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বগুড়া আধুনিক ও উন্নত এক নগরী হিসেবে গড়ে ওঠার নতুন দিগন্ত খুঁজে পাবে।