বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

প্রত্যেক মানুষকে চিন্তায় রেখে বাজেট দেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ৩, ২০২৬, ০১:৩১ পিএম

প্রত্যেক মানুষকে চিন্তায় রেখে বাজেট দেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি মারাত্মক ভঙ্গুর এবং একটি কঠিন সময় পার করলেও আগামী অর্থবৎসরের জাতীয় বাজেট অত্যন্ত ভালো এবং জনকল্যাণমুখী হবে বলে দৃঢ় আশ্বাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এবারের বাজেটে দেশের আপামর জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বিশেষ বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন সবদিক থেকে অর্থনীতির এক চরম ক্রান্তিলগ্নে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব গ্রহণ করায় আসন্ন বাজেট প্রণয়ন করা প্রশাসনের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "খারাপ সময় ও ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি এবং এর মধ্যেও আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছি দেশের প্রতিটি সাধারণ মানুষের কথা গভীরভাবে চিন্তা করতে।" 

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্যই হলো দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ সুনির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত করা যাতে অর্থনীতির প্রকৃত সুফল প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছায়। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক বিপর্যয় কাটিয়ে দেশের অর্থনীতিকে একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে এই বাজেট এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে তিনি ইনশাআল্লাহ আশা ব্যক্ত করেন।সুদীর্ঘ ১৫ বছরের অনিয়ম ও অর্থ পাচারের ফলে দেশের ব্যাংকিং খাত ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা পুনর্গঠনে এই বাজেট একটি প্রথম সাহসী পদক্ষেপ।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও জানান যে পূর্ববর্তী সরকারগুলোর তুলনায় এই সরকারের অর্থনৈতিক নীতিমালার সূচনাটি অত্যন্ত স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক এবং ইতিবাচক হবে। বাজেট প্রণয়নের এই প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নিয়ে বাংলাদেশ খুব দ্রুতই সামনের দিকে সুন্দর ও সফলভাবে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করছে। প্রধানমন্ত্রীর সাথে হওয়া এই ফলপ্রসূ বৈঠকে মূলত দেশের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা সীমিত রাখার বিষয়ে নীতিনির্ধারণী কৌশলগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক সূত্রে জানা গেছে।