শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬,

স্থানীয় নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক থাকছে না: প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ০৩:২৯ পিএম

স্থানীয় নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক থাকছে না: প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে কোনো দলীয় মনোনয়ন বা দলীয় প্রতীক থাকছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে তিনি জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন নগরীতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীরা। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঁচ স্তরের নির্বাচনেই সাধারণ পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিমন্ত্রী জানান, নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে আইনি সংস্কার সম্পন্ন করা হয়েছে। এর ফলে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের বাধ্যবাধকতা থাকছে না এবং যেকোনো বৈধ নাগরিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। 

নির্বাচনে দলীয় অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এটি নির্দলীয় নির্বাচন হওয়ায় কোনো বিশেষ দলের সুযোগ নেই, তবে রাজনৈতিক দলগুলো চাইলে স্থানীয়ভাবে একক প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কৌশল নিতে পারে। একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকার নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দেবে।

যুক্তরাজ্যকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্রিটিশ প্রতিনিধিরা সিটি করপোরেশনগুলোর মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ‘ওয়েস্ট টু এনার্জি’ খাতে যুক্ত হতে চান। বিনিয়োগ প্রক্রিয়াটিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এগিয়ে নিতে একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি বিশেষ কর্মদল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে দেশের অর্থনৈতিক সংস্কারের তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার অর্থবছরের সময়সীমায় পরিবর্তন এনেছে। আগামী ২০২৮ সাল থেকে অর্থবছর শুরু হবে ১ এপ্রিল এবং শেষ হবে ৩১ মার্চ, যা শুষ্ক মৌসুমে উন্নয়নকাজ দ্রুত বাস্তবায়নে সহায়তা করবে বলে ব্রিটিশ প্রতিনিধিরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এই পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংশোধনের কাজ সংসদীয় কমিটিতে চলমান রয়েছে।