রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

কিশোরগঞ্জে জামায়াতে যোগ দিলেন ২০০ জন

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১০:৪১ এএম

কিশোরগঞ্জে জামায়াতে যোগ দিলেন ২০০ জন

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জনের হাত ধরে বিএনপি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দুই শতাধিক মানুষ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি উপজেলার চান্দপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে আখতারুজ্জামানের নিজ বাড়িতে এই যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। নবাগত সদস্যরা জামায়াতের সহযোগী সদস্য ফর্ম পূরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে দলটির সদস্যপদ গ্রহণ করেন। 

সম্প্রতি জামায়াতে যোগ দেওয়া এই বর্ষীয়ান নেতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে এলাকার বিশাল একটি অংশ দলটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য যে গত ১৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর থেকেই মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন জামায়াতের বিভিন্ন কর্মসূচি ও নির্বাচনী প্রচারণায় অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। 

তিনি কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে ১০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে টানা গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি গত বৃহস্পতিবার ঢাকা-১১ আসনে জামায়াতের এক জনসভায় বক্তব্য দিয়ে তিনি দলটির প্রতি তার পূর্ণ আস্থার কথা জানান। নিজের এলাকায় ফেরার পর তিনি সাধারণ নেতাকর্মীদের আদর্শিক রাজনীতির পতাকাতলে আসার আহ্বান জানালে বিপুল সংখ্যক মানুষ তাতে সাড়া দেন।

জামায়াতে যোগদানকারী এই দুই শতাধিক মানুষের মধ্যে বিএনপির সাবেক নেতাকর্মী ছাড়াও রয়েছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, ব্যবসায়ী এবং বেশ কয়েকজন সাবেক ইউপি সদস্য। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে এই দলে দুজন সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিও রয়েছেন যারা জামায়াতের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দলটিতে যোগ দিয়েছেন। যোগদানকারীরা জানান যে মেজর আখতারুজ্জামানের মতো একজন সৎ ও সাহসী যোদ্ধার হাত ধরে তারা একটি দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার স্বপ্নে এই নতুন রাজনৈতিক যাত্রায় শামিল হয়েছেন।

নিজের এই সিদ্ধান্ত ও দলবদল প্রসঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন বলেন যে দেশ ও মানুষের প্রকৃত কল্যাণে আদর্শভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হয়েছেন। তিনি মনে করেন দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে হলে সৎ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে মানুষ যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে জামায়াতে যোগ দিচ্ছে তা প্রমাণ করে জনগণ রাজনীতিতে পরিবর্তন চায়। অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে নবাগতদের অভিনন্দন জানান এবং দেশ গঠনে একসাথে কাজ করার শপথ নেন।