বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

আম্মারের পারিবারিক শিক্ষা নিয়ে ছাত্রদল নেত্রীর প্রশ্ন

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম

আম্মারের পারিবারিক শিক্ষা নিয়ে ছাত্রদল নেত্রীর প্রশ্ন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মারের পারিবারিক শিক্ষা ও ব্যক্তিগত প্রচারণা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিন বিশ্বাস এষা। শনিবার দুপুরে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই প্রশ্নগুলো জনসমক্ষে আনেন। 

ছাত্রদল নেত্রীর এমন বিস্ফোরক মন্তব্য এখন ক্যাম্পাসের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।এষা তাঁর পোস্টে অভিযোগ করেন যে, সালাহউদ্দিন আম্মারের মায়ের দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্ট আম্মার নিজের পিআর টিমের মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে ব্যাপক বাহবা কুড়ানোর চেষ্টা করেছেন। 

তবে বিষয়টি নিয়ে জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর মতে, দৈনিক কালবেলা ও দৈনিক আমার দেশ ইতিবাচকভাবে সংবাদ প্রকাশ করলেও পাঠকদের মন্তব্যের ঘরে আম্মারের পরিবারের সমালোচনা স্পষ্ট হয়েছে। 

সাধারণ মানুষ এখন এই ধরনের আচরণ থেকে মুক্তি চায় বলেও তিনি পোস্টে উল্লেখ করেন।পোস্টটিতে আম্মারের প্রচারণার খরচ নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এই ছাত্রদল নেত্রী। তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, আম্মারের বিশাল পিআর টিমের পেছনে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়, তার উৎস আসলে কী। এই অর্থ কি তাঁর পরিবার বহন করে নাকি জামায়াত-শিবিরের তহবিল থেকে সরবরাহ করা হয়, তা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি আম্মারের ব্যক্তিগত আচরণ ও পারিবারিক ঐতিহ্যের মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

এষা তাঁর ফেসবুক পোস্টে আরও সতর্ক করে বলেন যে, জামায়াত-শিবিরের পক্ষ থেকে টেলিগ্রাম গ্রুপ ও বিভিন্ন বট বাহিনীর মাধ্যমে তাঁর ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে বিশেষ তৎপরতা চালানো হতে পারে। তাঁর ভাষায়, ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত ইতিবাচক মন্তব্য করে ইমেজ রক্ষার চেষ্টা করা আম্মারের পিআর কৌশলেরই অংশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আম্মারের ব্যক্তিগত রুচি ও তাঁর টিমের অর্থের উৎস নিয়ে এষার এমন সরাসরি আক্রমণ এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। এই বিষয়ে সালাহউদ্দিন আম্মারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো পাল্টা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ছাত্র রাজনীতির এমন প্রকাশ্য কাদা ছোড়াছুড়ি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।