জুলাই ১০, ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
জুলাই অভ্যুত্থান কেবল ফ্যাসিবাদ তাড়ানোর জন্য নয়, বরং দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রকারীদের উৎখাতের জন্যই হয়েছিল। শুক্রবার ঢাকায় এক গণমিছিলে এসব কথা বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। শুক্রবার বাদ জুমা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে ‘ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের’ দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
জনগণ দেশরক্ষায় জীবন দিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে চায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।ফয়জুল করীম জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, এই সনদ বাস্তবায়নে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ রায় দিয়েছে। নির্বাচনের আগে বিএনপিও ক্ষমতায় গেলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে। যারা দেশকে দখল ও ভাগ করতে চায়, তাদের বক্তব্যকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘স্লিপ অব টাং’ বলে পাশ কাটানোর চেষ্টা করছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। এছাড়া তিনি দেশে নতুন করে জঙ্গি নাটক সৃষ্টি করে আলেম-ওলামা ও মাদরাসা ধ্বংসের ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলেও সতর্ক করেন।
তিনি বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের বাড়িঘর, দোকানপাট ও মসজিদ ভাঙচুর হচ্ছে। মুসলিম নারীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ভারতীয় যেকোনো ষড়যন্ত্রের মোকাবেলায় দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে। দেশকে ভালোবাসেন বলেই জীবন দিয়ে হলেও রক্ষার অঙ্গীকার করেন তিনি। ধর্মকে হাতিয়ার করে কোনো সহিংসতা কাম্য নয় বলেও সমাবেশে স্পষ্ট জানানো হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ। এতে দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু হয়ে একটি বিশাল গণমিছিল বিজয়নগর পানির ট্যাঙ্কি হয়ে পুরানা পল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। প্রচণ্ড বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করেও হাজারো নেতাকর্মী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন