আগস্ট ৬, ২০২৬, ১১:৪৫ পিএম
ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া এখনো সমাজ থেকে পুরোপুরি দূর হয়নি এবং এই আগ্রাসন সংস্কৃতির মাধ্যমেই মোকাবিলা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।সন্ধ্যা পর্যন্ত চলা এই উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রখ্যাত শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিককর্মীরা অংশ নেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন যে চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান হলো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও জাতীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
এই অর্জনকে টিকিয়ে রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। জাতিকে যারা বিভক্ত করতে চায়, তারা দেশের শত্রু বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন যে ভিন্নমত থাকতে পারে, তবে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে এক থাকতে হবে।জাতীয় সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠন দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের এই আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমীর আ ন ম শামসুল ইসলাম এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
বিশিষ্ট আইনজীবী ও সমাজসেবক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারের সদস্যসহ দেশের প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।উৎসবে তেলাওয়াত, আবৃত্তি, জারি, সংগীত, কাওয়ালি ও নাটকের পাশাপাশি ‘রক্তাক্ত জুলাই’ নামের একটি বিশেষ নাটক পরিবেশিত হয়। সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীসহ দেশের বিভিন্ন নামী সাংস্কৃতিক দল এই বর্ণাঢ্য পরিবেশনায় অংশ নেয়। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে এই উৎসব সাধারণ মানুষের মাঝে গভীর উৎসাহের সৃষ্টি করেছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন