মার্চ ১৯, ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পায় মুখরোচক সব মিষ্টান্নের স্বাদে। তবে সাধারণ সেমাই বা ফিরনির বাইরে উৎসবে কিছুটা রাজকীয় আভিজাত্য যোগ করতে চাইলে শাহী টুকরা হতে পারে সেরা বিকল্প। এটি মূলত একটি ঐতিহ্যবাহী মুঘল ঘরানার মিষ্টান্ন যা বর্তমানে বাংলাদেশের উৎসবগুলোতে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। খুব কম সময়ে এবং ঘরে থাকা সাধারণ উপকরণ দিয়ে তৈরি করা গেলেও এর স্বাদ ও পরিবেশন যে কাউকে মুগ্ধ করতে সক্ষম।
বিশেষ করে ছোট থেকে বড় সব বয়সীরাই এই ডেজার্টটি খেতে দারুণ পছন্দ করেন। উৎসবের সকালে অতিথি আপ্যায়নে এই পদটি টেবিলে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
এই বিশেষ পদটি তৈরির জন্য প্রয়োজন ৬ থেকে ৮ পিস পাউরুটি, এক লিটার ঘন দুধ, আধা কাপ চিনি, ঘি বা তেল এবং স্বাদ বাড়ানোর জন্য এলাচ গুঁড়া। বাড়তি স্বাদের জন্য কিছুটা কনডেন্সড মিল্ক এবং সাজানোর জন্য কাজু, পেস্তা ও কাঠবাদাম কুচি ব্যবহার করা যায়। প্রথমে পাউরুটির চারপাশের শক্ত বাদামি অংশ কেটে ফেলে দিয়ে পছন্দমতো ত্রিভুজ বা চৌকো আকৃতি করে নিতে হয়।
এরপর একটি প্যানে ঘি বা তেল গরম করে পাউরুটির টুকরোগুলো হালকা বাদামি করে ভেজে তুলে রাখতে হবে। ঘি ব্যবহার করলে এর রাজকীয় ঘ্রাণ ও স্বাদ অনেক বেশি পাওয়া যায় এবং খাবারের স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়।পরবর্তী ধাপে একটি বড় প্যানে দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে প্রায় অর্ধেক করে নিতে হবে। এতে চিনি, এলাচ গুঁড়া এবং কনডেন্সড মিল্ক যোগ করে অনবরত নাড়তে হবে যতক্ষণ না এটি রাবড়ির মতো ঘন হয়ে আসে।
দুধ তৈরি হয়ে গেলে একটি ছড়ানো ডিশে আগে থেকে ভেজে রাখা পাউরুটির টুকরোগুলো সুন্দরভাবে সাজিয়ে তার উপর গরম দুধের মিশ্রণ ঢেলে দিতে হবে। সবশেষে উপরে বাদাম কুচি, কিশমিশ এবং সামান্য গোলাপ জল ছিটিয়ে দিলেই তৈরি হয়ে যাবে দারুণ স্বাদের শাহী টুকরা। এই পদটি ফ্রিজে এক থেকে দুই ঘণ্টা রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করলে এর স্বাদ আরও বেড়ে যায়। যারা আরও অভিজাত স্বাদ পছন্দ করেন তারা দুধে সামান্য জাফরান মিশিয়ে দিতে পারেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন