মে ১০, ২০২৬, ১১:২৮ এএম
আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল শুধু পাকা অবস্থায় নয়, কাঁচা অবস্থায়ও অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। কাঁঠালের পাতা থেকে শুরু করে এর প্রতিটি অংশই বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়। মূলত মুচি অবস্থা থেকে শুরু করে পাকা কাঁঠাল পর্যন্ত সব পর্যায়েই এটি রসনা তৃপ্তিতে ভূমিকা রাখে। তানিয়া সুলতানা কাঁচা কাঁঠালের তরকারি, গরুর মাংসের সাথে মিশ্রণ এবং মচমচে জালিকাবাবের বিশেষ তিনটি রেসিপি পাঠিয়েছেন।
কাঁচা কাঁঠাল রান্নার জন্য আধা কেজি খোসা ছাড়ানো কাঁঠাল, হলুদ ও ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ করে এবং পরিমাণমতো মরিচগুঁড়া প্রয়োজন হবে। এছাড়া আদা-জিরা ও রসুনবাটা ২ চা-চামচ, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল-চামচ, দারুচিনি-এলাচবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচামরিচ ৪-৫টি ও তেজপাতা ২টি দিতে হবে।
কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি বাদামি করে ভেজে সব মসলা ও লবণ দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। মসলা কষানো হলে কাঁঠাল দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে বাকি মসলা ও কাঁচামরিচ দিয়ে পাঁচ মিনিট ঢেকে রাখলে তৈরি হবে সুস্বাদু তরকারি।
এটি গরম ভাত বা খিচুড়ির সঙ্গে খাওয়া যায়।গরুর মাংস দিয়ে কাঁচা কাঁঠাল রান্নার ক্ষেত্রে ৫০০ গ্রাম মাংস ও ৫০০ গ্রাম সেদ্ধ কাঁঠাল নিতে হবে। উপকরণ হিসেবে পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, আদাবাটা ২ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, জিরা-হলুদ-ধনে ও মরিচগুঁড়া পরিমাণমতো এবং গরম মসলা প্রয়োজন। প্রথমে কাঁঠাল সামান্য হলুদ দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি বাদামি হলে সব মসলা দিয়ে কষিয়ে মাংস ঢেলে দিতে হবে।
মাংস কষানো শেষ হলে সেদ্ধ করা কাঁঠাল দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে কিছুক্ষণ রান্না করতে হবে। নামানোর আগে কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজ বেরেস্তা ছড়িয়ে দিলে তৈরি হবে পরিবেশনের উপযোগী কাঁঠাল-মাংস।কাঁঠালের জালিকাবাব তৈরির জন্য ২ কাপ সেদ্ধ ও বাটা কাঁঠাল, ২-৩ টুকরা পাউরুটি, পুদিনাপাতা-বাটা ২ টেবিল-চামচ এবং প্রয়োজনীয় কাবাব মসলা নিতে হবে। উপকরণের তালিকায় আরও থাকছে ডিম ২টি, টোস্টের গুঁড়া আধা কাপ, বেরেস্তা আধা কাপ এবং গরম মসলাগুঁড়া।
বাটা কাঁঠালের সঙ্গে ডিম ও তেল ছাড়া সব উপকরণ মেখে হাতের তালুতে নিয়ে গোলাকার চ্যাপ্টা চপ তৈরি করতে হবে। এরপর ডিমে চুবিয়ে ডুবো তেলে ভাজতে হবে। তেলে ছাড়ার পর কাবাবের ওপরে সামান্য ডিমের গোলা দিয়ে জালি তৈরি করে মচমচে করে ভেজে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন