রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬,
শারদীয় দুর্গোৎসব

মহাসপ্তমীর সন্ধ্যায় শান্তি ও সম্প্রীতির প্রার্থনা: বনানীতে প্রশাসক

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ১৭, ২০২৬, ১১:০১ পিএম

মহাসপ্তমীর সন্ধ্যায় শান্তি ও সম্প্রীতির প্রার্থনা: বনানীতে প্রশাসক

ছবি: সংগৃহীত

মহাসপ্তমীর সন্ধ্যায় ঢাকঢোলের বাদ্য, কাঁসরের ঘণ্টাধ্বনি আর ধূপের সুবাসে মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজধানী ঢাকার পূজামণ্ডপগুলো। শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যায় বিশ্বাস, শাস্ত্রীয় আচার ও পৌরাণিক ঐতিহ্যের আবহে দেবী দুর্গার চরণে বিশ্বশান্তি, সম্প্রীতি, অন্তরের শক্তি এবং সর্বজনীন কল্যাণের আকুল প্রার্থনা জানান সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

মণ্ডপে মণ্ডপে শঙ্খধ্বনি আর ঢাকের তালে চলছে দেবী আরাধনা।

মহাসপ্তমীর মূল পূজায় দেবী দুর্গার সঙ্গে শ্রীগণেশ ও নবপত্রিকা বা কলাবউয়ের উপস্থিতি উৎসবে যোগ করেছে বিশেষ এক মাত্রা। ভক্তদের অবিচল বিশ্বাস, দশভুজা দেবী দুর্গা মর্ত্যে আবির্ভূত হয়ে অশুভ ও তামসিক শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে সত্য, শুভ এবং ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। সেই বিশ্বাস থেকে পরিবার, মাতৃভূমি এবং বিশ্বমানবতার পরম শান্তি কামনায় প্রার্থনায় নিমগ্ন ছিলেন সমবেত পূণ্যার্থীরা।

শনিবার রাতে রাজধানীর বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে উপস্থিত দর্শনার্থী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এ দেশের কোনো সংখ্যালঘু নন। সবাই স্বাধীন বাংলাদেশের সমান নাগরিক এবং রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে সবার অধিকার পুরোপুরি এক ও অভিন্ন।

পঞ্জিকার তিথিগত জটিলতার কারণে এবার দুই দিন ধরে উদযাপিত হচ্ছে মহাসপ্তমীর আচার। ফলে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের মাঝে মাতৃরূপী উমার সান্নিধ্য পাওয়ার আনন্দ যেন আরও দীর্ঘায়িত হয়েছে। রঙিন বর্ণিল আলোকসজ্জা এবং প্রতিমার নান্দনিক রূপ দেখতে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই রাজধানীর প্রতিটি মণ্ডপে নানা বয়সী মানুষের ঢল নামে।

অশুভের বিনাশ ও মানবিক শুভবোধের বিজয়ের মধ্য দিয়ে সমাজ ও জীবনে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক—এমন প্রত্যয়ই ধ্বনিত হয়েছে এবারের আয়োজনে বলে জানিয়েছে দিনাজপুর টিভি ডট কম।