জুন ৪, ২০২৬, ১১:৫০ এএম
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক গোল করে আলোচনায় এসেছেন বাংলাদেশের ঋতুপর্ণা চাকমা। তাঁর এই জাদুকরী গোলটি শুধু ম্যাচে সমতাই ফেরায়নি, ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে কৌতূহলও তৈরি করেছে।ফুটবলের পরিভাষায় এই বিশেষ গোলটিকে বলা হয় অলিম্পিক গোল।
সাধারণত কর্নার কিক থেকে কোনো খেলোয়াড়ের শরীরের স্পর্শ ছাড়াই সরাসরি বল জালে জড়িয়ে গেলে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অর্থাৎ কর্নার থেকে নেওয়া বল বাতাসে বাঁক খেয়ে সরাসরি গোলপোস্টের ভেতরে ঢুকে যেতে হয়। মাঝপথে মাঠের অন্য কোনো খেলোয়াড় বলটি স্পর্শ করতে পারবেন না।
নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে ঋতুপর্ণার নিখুঁত শটটি ঠিক এভাবেই সরাসরি জালে আশ্রয় নিয়েছিল।এই অলিম্পিক গোল নামটির একটি ঐতিহাসিক পটভূমি রয়েছে, যার উৎপত্তি মূলত ১৯২৪ সালে।
ওই বছর অনুষ্ঠিত প্যারিস অলিম্পিক ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল উরুগুয়ে। এর কিছুদিন পর আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের মধ্যকার একটি ম্যাচে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় সেসারেও অনজারি কর্নার কিক থেকে সরাসরি গোল করেছিলেন।
অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের বিপক্ষে করা সেই বিশেষ গোল থেকেই মূলত এই নামের প্রচলন শুরু হয়।ফুটবলের ইতিহাসে এ ধরনের গোল করা খুবই বিরল একটি ঘটনা। কারণ কর্নার থেকে সরাসরি গোল করার জন্য বলের নিখুঁত গতি, সঠিক বাঁক এবং অনুকূল পরিস্থিতির প্রয়োজন হয়।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন