জুলাই ২২, ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
সদ্য সমাপ্ত রোমাঞ্চকর বিশ্বকাপ ফুটবলের আসরে দুর্দান্ত পারফর্ম করে দলকে ফাইনালে নিয়ে গিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসি. তবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ের লড়াইয়ে হেরে রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় আলবিসেলেস্তাদের. সেই ম্যাচের পর ফিফা কতৃক প্রদত্ত টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের গোল্ডেন বল জেতেন স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি, যেখানে মেসি সিলভার বল এবং ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ব্রোঞ্জ বল লাভ করেন।
ফিফার অফিসিয়াল পুরস্কার না পেলেও পরিসংখ্যান ও পারফরম্যান্স সূচকের নিরিখে মেসিকেই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ঘোষণা করেছে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফুটবল হিস্ট্রি অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস (আইএফএফএইচএস)।
গত সোমবার প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আইএফএফএইচএস জানায় যে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের পারফরম্যান্স বিস্তারিত মূল্যায়নের জন্য তাদের নিজস্ব তথ্যনির্ভর সূচক ব্যবহার করা হয়েছে. যেখানে ম্যাচ রেটিং, গোল সংখ্যা, অ্যাসিস্ট এবং বিশেষ করে নকআউট পর্বে খেলোয়াড়ের প্রভাব নির্দিষ্ট ওজনের ভিত্তিতে হিসাব করা হয়। এই বিশদ বিশ্লেষণে অন্য সকল প্রতিদ্বন্দ্বীকে পেছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থান করেন উনচল্লিশ বছর বয়সী মেসি. টুর্নামেন্টের সাতটি ম্যাচে মোট ছয়শো ছাব্বিশ মিনিট মাঠে থেকে আটটি গোল করার পাশাপাশি আরও চারটি গোলে সরাসরি সহায়তা করেছেন তিনি.
সংস্থাটি তাদের মূল্যায়নে স্পষ্ট করেছে যে এই স্বীকৃতি কোনো আবেগ বা খ্যাতির কারণে দেওয়া হয়নি, বরং পরিসংখ্যানের নির্ভুল বিশ্লেষণের ফল এটি. গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে নকআউট ও ফাইনাল পর্যন্ত মেসির প্রতি ম্যাচের গড় রেটিং ছিল আট দশমিক তিন তিন। ১৯৯১ সাল থেকে ফুটবল ইতিহাস ও পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা এই আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে, নকআউট পর্বে দলের জন্য পার্থক্য গড়ে দেওয়ার ক্ষমতাই একজন খেলোয়াড়ের প্রকৃত মহত্ত্ব নির্ধারণ করে, যে মানদণ্ডে মেসি অনন্য উচ্চতায় ছিলেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন