অলিউর রহমান মিরাজ
ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫, ০৩:১৫ পিএম
ছবি-দিনাজপুর টিভি
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে হাড়কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ডিসেম্বরের শেষভাগে এসে কনকনে ঠান্ডা, হিমেল বাতাস আর বৃষ্টির মতো ঝরতে থাকা কুয়াশায় স্থবির হয়ে পড়েছে উপজেলার স্বাভাবিক কার্যক্রম। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন ভাসমান শ্রমিক, দিনমজুর ও প্রান্তিক কৃষকেরা।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোর থেকেই পুরো উপজেলা ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে। সকাল থেকে হিমেল বাতাস অব্যাহত থাকায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষকে ঘর থেকে বের হতে দেখা যায়নি।
সড়ক ও হাটবাজারগুলোতে মানুষের উপস্থিতি ছিল একেবারেই সীমিত। তীব্র শীত থেকে বাঁচতে অনেক জায়গায় খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে নিম্ন আয়ের মানুষকে।
শীতের এই দাপটে কৃষিখাতেও শঙ্কা দেখা দিয়েছে। উপজেলার তর্পনঘাট গোলাবাড়ি গ্রামের কৃষক অধীর চন্দ্র রায় জানান, ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীত দীর্ঘস্থায়ী হলে বোরো ধানের বীজতলা কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়ে চারা পচে নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. তোফাজ্জল হোসেন জানান, উত্তরাঞ্চলের ওপর দিয়ে শীতল উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় তাপমাত্রা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, “আগামীকাল ২৮ ডিসেম্বর থেকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে এবং জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এই অবস্থা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের জন্য সহায়তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।