রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

বীরগঞ্জে বোরো বীজতলায় কুয়াশার থাবা; চারা বাঁচাতে পলিথিন

মো. আরিফ ইসলাম

জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম

বীরগঞ্জে বোরো বীজতলায় কুয়াশার থাবা; চারা বাঁচাতে পলিথিন

ছবি-দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় জেঁকে বসা তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে হুমকির মুখে পড়েছে বোরো ধানের বীজতলা। কনকনে ঠান্ডা ও কুয়াশার প্রভাবে চারায় ছত্রাক ও পচন ধরার আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

এই ক্ষতি এড়াতে এবং সুস্থ চারা উৎপাদনে বর্তমানে উপজেলার মাঠগুলোতে পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে রাখার নতুন কৌশল অবলম্বন করছেন চাষিরা।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, হাড়কাঁপানো শীতে ধানের কচি চারা হলুদ বর্ণ ধারণ করছে। শীতের দাপট থেকে চারা বাঁচাতে কৃষকরা সন্ধ্যা হলেই বীজতলা পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে দিচ্ছেন। আবার পরদিন সকালে সূর্যের দেখা মিললে পলিথিন সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।

কৃষকরা জানান, শিশির ও অতিরিক্ত ঠান্ডা সরাসরি চারায় লাগলে চারা পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যা পলিথিন ব্যবহারে অনেকাংশেই রোধ করা সম্ভব হচ্ছে।পাল্টাপুর ইউনিয়নের কাজল গ্রামের কৃষক ফেরাজুল বলেন, শীতের কারণে বীজতলা নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। কৃষি অফিসের পরামর্শে পলিথিন কিনে এনে ঢেকে রেখেছি। এতে খরচ বাড়লেও চারা রক্ষা করা যাচ্ছে।তবে অনেক কৃষক বাড়তি খরচের কারণে হিমশিম খাচ্ছেন বলেও জানান।

 বীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, বর্তমান আবহাওয়ায় বীজতলার বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি। তিনি বলেন,আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি যাতে তাঁরা পলিথিন বা খড় দিয়ে বীজতলা ঢেকে রাখেন। পাশাপাশি সকালে বীজতলা থেকে জমে থাকা ঠান্ডা পানি বের করে দিয়ে নতুন পানি দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এতে চারা সতেজ থাকবে।