সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
মাছবাজারে ক্রেতাদের ঠকাতে ডিজিটাল পাল্লায় অভিনব কারচুপির প্রমাণ পাওয়া গেছে। স্থানীয় আনন্দবাজার মাছবাজারে এক ইলিশ বিক্রেতা ডিজিটাল পরিমাপক যন্ত্রের ভেতরে সুকৌশলে রশি ও রাবার ব্যান্ড লাগিয়ে ওজনে কম দেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। অভিযুক্ত বিক্রেতার নাম আব্দুল মাহমুদ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই বাজারে মাছ ব্যবসার আড়ালে ক্রেতাদের সাথে এমন প্রতারণা করে আসছিলেন।
ধরা পড়ার পর তিনি প্রকাশ্যে নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেন। প্রতারণার অভিনব এই কৌশলে দেখা যায়, ডিজিটাল পাল্লার ভেতরের অংশে একটি বিশেষ রশি বা রাবার যুক্ত করা থাকে, যার অপর প্রান্ত বিক্রেতার হাতে থাকা সাধারণ গামছার সাথে লুকানো অবস্থায় বাঁধা থাকে। মাছ পরিমাপ করার সময় বিক্রেতা অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে গামছা ধরে টান দিলে ডিজিটাল মিটারে ওজন কৃত্রিমভাবে একশত থেকে কয়েকশো গ্রাম পর্যন্ত বেড়ে যায়। ফলে ক্রেতারা নির্ধারিত ওজনের চেয়ে অনেক কম মাছ নিয়ে বাড়ি ফেরেন এবং আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হন।
জিজ্ঞাসাবাদের মুখে অভিযুক্ত বিক্রেতা জানান, বাজারে এমন ভেজাল ও কারচুপির চল রয়েছে এবং বাজার কমিটির যথাযথ নজরদারির অভাবেই এই ধরনের অনিয়ম ঘটে থাকে। তিনি নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য অনুতাপ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে এমন কাজ থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই ঘটনাটি স্থানীয় বাজারগুলোতে নিয়মিত তদারকি ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন