অক্টোবর ২৮, ২০২৬, ১১:০৬ পিএম
মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু ও শিমুলিয়া ঘাট সংলগ্ন নদীতে সন্ধ্যা ৬টার পর পর্যটকদের সব ধরনের নৌযানে ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু।
নৌপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়ানো এবং পর্যটকসহ সাধারণ মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পরিদর্শনকালে পদ্মা নদীর বুকে চলাচলকারী ট্রলার ও বিভিন্ন নৌযানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যাত্রীদের জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জামের উপস্থিতি এবং ঘাট এলাকার শৃঙ্খলা খতিয়ে দেখা হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর গুরুত্বপূর্ণ পিলারগুলোর কাছে নৌযানের অতিরিক্ত ভিড় ও দুর্ঘটনা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, সেতুর পিলারসংলগ্ন সংবেদনশীল অংশে পর্যটকদের জন্য দ্রুত দৃশ্যমান সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে।
একই সাথে সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে নদীতে পর্যটকবাহী কোনো নৌযান যেন অবস্থান বা ঘোরাফেরা করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও কঠোর নজরদারি চালাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
যৌথ এই পরিদর্শনে অংশ নেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পুলিশের পরিদর্শক মো. মালেক খসরু ও টুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন। এছাড়া সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা, শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার এবং উপজেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য সদস্যরা কার্যক্রমে অংশ নেন।
পদ্মা নদীকেন্দ্রিক পর্যটন ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত শিমুলিয়া ও মাওয়া প্রান্তে নৌপথের সার্বিক শৃঙ্খলা ফেরাতে এই কড়াকড়ি বলবৎ থাকবে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন