সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

স্বাধীনতা দিবসে চিরিরবন্দরে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ও আলোচনা সভা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মার্চ ২৬, ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম

স্বাধীনতা দিবসে চিরিরবন্দরে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা  ও আলোচনা সভা

মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া।

 উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেহাতুজ জোহরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া বলেন যে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এবং তাদের বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজ আমরা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ভূখণ্ড পেয়েছি। তিনি উল্লেখ করেন যে বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে ও তাদের জীবনমান উন্নয়নে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। 

মুক্তিযোদ্ধাদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে রাষ্ট্রীয়ভাবে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তার সুফল এখন তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার এবং সেই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। আলোচনা সভা শেষে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও বিশেষ উপহার তুলে দেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চিরিরবন্দর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা। 

বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ তাদের বক্তব্যে ১৯৭১ সালের সেই উত্তাল দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেন এবং স্বাধীন দেশের অগ্রযাত্রায় নিজেদের গর্বের কথা তুলে ধরেন। প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করে বলেন যে ২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় দিন এবং এই দিনে সকল ভেদাভেদ ভুলে দেশকে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করার শপথ নিতে হবে।

উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন উপস্থিত সকল স্তরের মানুষ।