রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬,

পঞ্চগড়ে কৃষি বিপণনের প্রশিক্ষণ একদিনেই শেষ, প্রশিক্ষণার্থীদের ক্ষোভ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ২২, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম

পঞ্চগড়ে কৃষি বিপণনের প্রশিক্ষণ একদিনেই শেষ, প্রশিক্ষণার্থীদের ক্ষোভ

পঞ্চগড় কৃষি বিপণন অধিদপ্তরে প্রশিক্ষণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দুই দিনের প্রশিক্ষণ এক দিনে সম্পন্ন করে পুরো প্রশিক্ষণের বিল-ভাতা তুলে নেওয়া হয়েছে। খোদ কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগের উপপরিচালক শাকিল আক্তার ঘটনাটি স্বীকার করে বলেছেন, সরকারের বিদ্যুৎ ব্যয় বাঁচাতেই এভাবে করা হয়েছে। তবে এক দিন প্রশিক্ষণ করা হলেও প্রশিক্ষণের মাস্টাররোলে প্রশিক্ষণার্থীদের দুই দিনের আলাদা করে স্বাক্ষর নিয়ে সম্মানী ভাতা এবং যাতায়াত খরচ তুলে নিয়েছেন তারা। 

আর এক দিনের টাকা দেওয়া হয়েছে প্রশিক্ষণার্থীদের। এভাবে দুই দিনের প্রশিক্ষণ এক দিনে সম্পন্ন করে সরকারের উদ্দেশ্য কতটুকু সফল হবে এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি প্রশিক্ষকেরা।

 

 

 

 

 

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর পঞ্চগড় কার্যালয়ে ২১ মে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পার্টনার প্রকল্পের অধীনে বেসরকারি এবং সরকারি সম্প্রসারণ বিপণন সেবা ও উপকরণ সরবরাহকারীদের মধ্যে সমন্বয় সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ দুইটি ব্যাচে ২৫ জন করে ১৯ মে এবং ২১ মে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ২১ মে দুইটি ব্যাচে ৫০ জনকে একসাথে এক দিনেই দুটো ব্যানার টাঙিয়ে শেষ করা হয়েছে। প্রশিক্ষণে তিনজন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দেন। 

 

 

 

 

প্রশিক্ষকেরা হলেন—কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগের উপপরিচালক মো. শাকিল আক্তার, জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মোয়াল্লেমা খাতুন এবং ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন পার্টনার প্রকল্পের ডেপুটি ডিরেক্টর রשיদুল ইসলাম।প্রশিক্ষণার্থী মোস্তাফিজুর রিংকু জানান, দুই দিনের বদলে আমাদের এক দিনেই প্রশিক্ষণ শেষ করা হয়েছে। এতে আমরা কতটুকু শিখলাম? এটা কেমন হলো?

বোদা উপজেলার আরেক প্রশিক্ষণার্থী আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমাদের ২৫ জন করে দুইটি ব্যাচে প্রশিক্ষণ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ২১ মে এবং ১৯ মে তারিখ নির্ধারণ থাকলেও ২১ মে বৃহস্পতিবার এক দিনেই দুটি ব্যাচের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এতে করে প্রশিক্ষকেরা লাভবান হয়েছেন। বিকেল তিনটা পর্যন্ত প্রশিক্ষণ থাকলেও আমি দুপুর দেড়টার দিকে বের হয়ে এসেছি।

এ বিষয়ে প্রশিক্ষক কৃষি বিপণন অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক জানান, আসলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সময় সাশ্রয়ের জন্য দুই দিনের প্রশিক্ষণ এক দিনে করা হয়েছে। তবে বিধিসম্মত হয়েছে কি না জানতে চাওয়া হলে তিনি প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান।