অক্টোবর ৮, ২০২৬, ১০:০৬ এএম
আন্তর্জাতিক বাজারে দর ওঠানামার প্রভাবে দেশের বাজারে কমল মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুসের সর্বশেষ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) থেকে কেনাবেচা চলছে।
সংগঠনটির নির্ধারিত এই দর গত সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকেই কার্যকর রয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে ভ্যাটসহ এই মানের এক ভরি স্বর্ণালংকারের নতুন দর দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকায়।
একইভাবে কমানো হয়েছে ২১ ক্যারেট মানের স্বর্ণের দামও।
এ ক্ষেত্রে প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা কমিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। এর আগের দফায় প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা।
১৮ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরিতে দাম কমেছে ১ হাজার ৩৪১ টাকা। সমন্বয়ের পর এ মানের প্রতি ভরির দর দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা, যা আগে ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা।
সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারে কমেছে ৭৫৮ টাকা। এতে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকায়, যেখানে আগের নির্ধারিত দর ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা।
স্বর্ণের দামে এই পরিবর্তন এলেও রূপার দর অপরিবর্তিত রেখেছে জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ এই সংগঠন।
বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপা ৪ হাজার ৩১৬ টাকা এবং প্রতি গ্রাম ৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২১ ক্যারেট রূপার ভরি ৪ হাজার ১৪১ টাকা ও গ্রাম ৩৫৫ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপা ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা ও গ্রাম ৩০৫ টাকায় বিক্রি চলছে। সনাতন পদ্ধতির রূপা বিক্রি হচ্ছে ভরি প্রতি ২ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং প্রতি গ্রাম ২৩০ টাকা দরে।
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা ও কারুকাজ অনুযায়ী আলাদা মজুরি যুক্ত হবে। তবে স্বর্ণ ও রূপার বিক্রয়মূল্যের সাথে সরকারি ভ্যাট আগে থেকেই যুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদা করে কোনো ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
পুরোনো অলংকার বদল বা বিক্রির ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নিয়ম স্মরণ করিয়ে দিয়েছে সংগঠনটি। মজুরি ও পাথরের প্রকৃত মূল্য বাদ দেওয়ার পর অলংকার বিনিময়ের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং সরাসরি বিক্রির ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ অর্থ কেটে রাখা হবে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন