মে ২১, ২০২৬, ০৮:১০ পিএম
বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে সরকার ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬’ জারি করেছে। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া স্বাক্ষরিত নতুন এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পূর্বের ২০২৫ সালের নীতিমালাটি রহিত করা হয়েছে।
এখন থেকে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকসহ সব স্তরের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম অনলাইনের স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।নতুন নীতিমালায় বদলিপ্রার্থী শিক্ষকদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ও যোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম যোগদানের পর চাকরিকাল ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো শিক্ষক বদলির আবেদনের যোগ্য বিবেচিত হবেন না। এছাড়া, একজন শিক্ষক তার সমগ্র কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলি হওয়ার সুযোগ পাবেন।
আবেদনকারী শিক্ষক অনলাইনে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে পারবেন এবং পারস্পরিক বদলির ক্ষেত্রে লিখিত আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান বা সাময়িক বরখাস্ত থাকলে তিনি বদলির অযোগ্য বলে গণ্য হবেন।স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারে আবেদনের ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা, দূরত্ব, নারী অধিকার এবং স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থলের মতো সূচকগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
দূরত্ব পরিমাপের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মডেল অনুসরণ করা হবে এবং একটি প্রতিষ্ঠান থেকে এক বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন। এই নতুন উদ্যোগের ফলে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ার পাশাপাশি বদলি প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা দূর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করবে এবং অঞ্চলভিত্তিক আঞ্চলিক পরিচালক ও মহাপরিচালকের দপ্তরে বদলির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন