জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
সৌদি আরবের জিজান ও ইয়ানবুতে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি।শনিবার এই হামলা চালানো হয়।আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরব তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালেও জিজানের তেল শোধনাগার এলাকা থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উড়তে দেখা গেছে।
এক বিবৃতিতে হুতি গোষ্ঠী দাবি করেছে যে হোদেইদা বন্দর ও কামারান দ্বীপে সাম্প্রতিক বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, জিজানে আরামকোর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইয়ানবুতেও ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন ব্যবহার করে আঘাত হানা হয়েছে।
ইয়েমেনের ওপর চলমান অবরোধ এবং সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার প্রতিবাদে বাব আল-মানদেব প্রণালিতে সৌদি-সংশ্লিষ্ট জাহাজ চলাচলে তাদের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সৌদি তেল রপ্তানির জন্য বাব আল-মানদেব প্রণালির গুরুত্ব অনেকগুণ বেড়ে গেছে। এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন করে উত্তেজনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে ইয়েমেনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে যে দেশের মধ্যাঞ্চলের মারিব এবং উত্তরাঞ্চলের আল-জাওফ প্রদেশে হুতিদের শক্তঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি জোট। ওই হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞসহ হুতি গোষ্ঠীর বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন