বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

যুদ্ধ শুরু হলে ইউরোপের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পরিকল্পনা ইরানের

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

আগস্ট ১৯, ২০২৬, ০৯:২৭ পিএম

যুদ্ধ শুরু হলে ইউরোপের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পরিকল্পনা ইরানের

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র যদি নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু করে, তবে ইউরোপে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলার সম্ভাবনা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে ইরান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে ইরানের ক্ষমতাসীন মহলের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানার কৌশল নিয়ে ইরানি বাহিনী পর্যালোচনা চালিয়েছে।

এর মধ্যে বুলগেরিয়ার একটি বিমানঘাঁটি এবং সাইপ্রাসের মতো অঞ্চলের অবস্থানগুলোও তাদের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার তালিকায় রয়েছে। গত মাসে বুলগেরিয়া মার্কিন জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পরই তেহরানের পক্ষ থেকে এমন কঠোর অবস্থান নেওয়া হলো। এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্রতলের ফাইবার-অপটিক কেবলে হামলার বিকল্পও খতিয়ে দেখছে ইরানি কর্তৃপক্ষ। 

বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতৃত্বে কট্টরপন্থীদের নতুন করে নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই যুদ্ধ নিয়ে তেহরানের মনোভাব আরও কঠোর হয়েছে।ইরানি সামরিক কমান্ডারদের মতে, ভবিষ্যতে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ বাঁধলে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও অনেক দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পূর্বের কৌশলে পরিবর্তন আনা হতে পারে।

যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় দেশগুলোকে এর আগে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের বিরুদ্ধে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর। গবেষকদের মতে, মধ্যপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইউরোপের কিছু অঞ্চলে সীমিত আকারে হলেও হুমকি তৈরি করার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে। তবে এই সার্বিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে মার্কিন প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং তেহরানের ওপর সম্ভাব্য সামরিক প্রতিক্রিয়ার ধরনের ওপর।