অক্টোবর ৩০, ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম
ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মোট ২৩ জন সেনাসদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। সম্প্রতি সরকারি পরিসংখ্যানে নতুন করে আরও দুজন সেনার মৃত্যুর তথ্য অন্তর্ভুক্ত করায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে তেইশে দাঁড়িয়েছে। পেন্টাগনের ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালাইসিস সিস্টেম বা ডিসিএএসের ওয়েবসাইটে এই হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন যুক্ত হওয়া দুজন সেনাসদস্যের মৃত্যুই যুদ্ধক্ষেত্রের সম্মুখ সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সরকারি তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যুদ্ধ চলাকালে শত্রুপক্ষের প্রত্যক্ষ হামলায় নিহত হয়েছেন ১১ জন মার্কিন সেনাসদস্য।
বাকি ১২ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে সংঘাতের বাইরের অন্যান্য পারিপার্শ্বিক কারণে। এসব কারণের মধ্যে বিভিন্ন দুর্ঘটনা এবং গুরুতর অসুস্থতাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক দ্য ওয়াশিংটন পোস্টকে দেওয়া আনুষ্ঠানিক তথ্যে জানা গেছে, সংঘাত-বহির্ভূত কারণে মৃত্যুর তালিকায় নতুন যুক্ত হওয়া দুজনই বিমানবাহিনীর সদস্য ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন সদস্য অসুস্থতাজনিত কারণে মারা যান। অপরজনের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করা যায়নি এবং ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত সামরিক তদন্ত চলমান রয়েছে।
ডিসিএএসের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইটে এই দুই সেনার মৃত্যুর তথ্য ‘ওভারসিজ অপারেশনস’ বা বিদেশি সামরিক অভিযান শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করে রাখা হয়েছে।
গত মে মাসে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযান সমাপ্ত হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। এরপরই পেন্টাগন এই অভিযানের জন্য ব্যবহৃত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহার করা বন্ধ করে।
ওই ঘোষণা কার্যকর হওয়ার পর থেকেই সংঘাত-সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে মোতায়েন থাকা সেনাসদস্যদের যেকোনো প্রাণহানির ঘটনা এই নতুন তালিকায় ধারাবাহিকভাবে নথিভুক্ত করা হচ্ছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন