সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

কাতার থেকে এলএনজির প্রথম চালান আসছে বাংলাদেশে

জাতীয় ডেস্ক

মার্চ ৭, ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

কাতার থেকে এলএনজির প্রথম চালান আসছে বাংলাদেশে

কাতার থেকে এলএনজি আসছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রভাবে জ্বালানি উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং আমদানিকারকদের কাছে ‘ফোর্স ম্যাজেউর’ বা অনিবার্য পরিস্থিতি ঘোষণার পর অবশেষে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে এলএনজির প্রথম চালান পাঠিয়েছে কাতার। শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

 প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার ‘লেব্রেথাহ’ নামের একটি এলএনজি কার্গো জাহাজ কাতারের রাস লাফান রপ্তানি টার্মিনাল ত্যাগ করে বাংলাদেশের দিকে যাত্রা শুরু করেছে। বর্তমান গতিপথ অনুযায়ী জাহাজটি আগামী ১৪ মার্চ বাংলাদেশের উপকূলে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ‘আল ঘাশামিয়া’ নামের আরেকটি কার্গো জাহাজে পণ্য বোঝাই করা হয়েছিল, যা বর্তমানে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থান করছে। 

তবে এই জ্বালানি চালানগুলো শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কারণ বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে কৌশলগত ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে পরিবাহিত হয়, চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য সেই পথটি বর্তমানে কার্যকরভাবে বন্ধ রয়েছে।ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির এই সংকট নিরসন না হওয়া পর্যন্ত ‘লেব্রেথাহ’ জাহাজটি মাঝসমুদ্রে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

 জ্বালানি তেলের পাশাপাশি এলএনজি সরবরাহের এই অনিশ্চয়তা বিশ্ববাজারে দামের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য এই চালানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও নৌপথের নিরাপত্তা ঝুঁকি এখন প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে এবং বিকল্প পথে বা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।