রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন

জাতীয় ডেস্ক

মার্চ ২৬, ২০২৬, ০২:৫২ পিএম

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন

শি জিনপিং ও মো. সাহাবুদ্দিন

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং। বৃহস্পতিবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পাঠানো এই বিশেষ বার্তায় শি জিনপিং দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী এবং গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রশংসা করেন। 

তিনি বলেন যে চীন ও বাংলাদেশ কেবল ভালো প্রতিবেশী নয় বরং তারা একে অপরের ভালো বন্ধু এবং বিশ্বস্ত অংশীদার। শি জিনপিং তার বার্তায় উল্লেখ করেন যে দুই দেশ সর্বদা একে অপরের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে আচরণ করেছে এবং নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একে অপরকে সহযোগিতা করে আসছে। 

রাষ্ট্র-রাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে চীন ও বাংলাদেশ একটি অনন্য মডেল স্থাপন করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বার্তায় চীনা রাষ্ট্রপতি দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ওপর অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেন। 

তিনি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে মিলে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা আরও গভীর করতে এবং ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে নিজের আগ্রহের কথা জানান। বিশেষ করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বিনিময়কে উন্নত করার ওপর জোর দেন তিনি। শি জিনপিং বলেন যে চীন-বাংলাদেশ ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের ধারাবাহিক উন্নয়নে বেইজিং ঢাকার সঙ্গে কাজ করতে সর্বদা প্রস্তুত। এই বার্তাটি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই দিনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। বার্তায় তিনি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের পক্ষ থেকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। স্বাধীনতা দিবসের এই আনন্দঘন মুহূর্তে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এই ধারাবাহিক অভিনন্দন বার্তাগুলোকে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। 

তারা মনে করছেন এর ফলে আগামী দিনে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজে আরও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হবে। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে বার্তায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।