মার্চ ২৬, ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দীর্ঘ ১৮ বছর পর রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্ণিল এই আয়োজন শেষে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবারের কুচকাওয়াজ ছিল দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা এবং বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতার এক অনন্য প্রদর্শনী।
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পেশাদারিত্ব এবং কুচকাওয়াজের চমৎকার সমন্বয় দেখে প্রধানমন্ত্রী তার গভীর মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠান শেষে প্যারেড স্কয়ার ত্যাগের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কাছে যান এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় তিনি বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের কর্মতৎপরতার প্রশংসা করেন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় উপস্থিত ছিলেন তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই বিশেষ মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য যে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারের এই বিশেষ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সালাম ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।
দীর্ঘ দেড় দশক পর এমন জাঁকজমকপূর্ণ কুচকাওয়াজ আয়োজনকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সুশৃঙ্খল মার্চপাস্ট এবং অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জামের প্রদর্শনী দর্শকদের মুগ্ধ করে। প্রধানমন্ত্রীর এই সরাসরি উপস্থিতি ও শুভেচ্ছা বিনিময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মনোবল আরও বৃদ্ধি করবে বলে সংশ্লিষ্ট সামরিক কর্মকর্তারা মনে করছেন। দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর ত্যাগ ও সাহসিকতার ইতিহাসকে সামনে রেখেই এই জাঁকজমকপূর্ণ কুচকাওয়াজের সমাপ্তি ঘটে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন