রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬,

খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক

মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম

খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ক্রীড়া ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের মানুষদের দলীয় রাজনীতিতে না জড়িয়ে খেলাধুলায় অধিকতর মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যারা খেলাধুলার সঙ্গে জড়িত তাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মাঠে সাফল্য অর্জন করা, কঠোর শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য গৌরব ও সম্মান বয়ে আনা। 

সোমবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রথমবারের মতো জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদদের সরকারি ভাতার আওতায় আনার বিশেষ কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়া জগতকে কেবল বিনোদন নয়, বরং একটি সম্ভাবনাময় ও অত্যন্ত সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। 

সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সরকার ক্রীড়াবিদদের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ক্রীড়াবিদদের জীবনমান উন্নত হলে তারা মাঠের খেলায় আরও বেশি মনোযোগী হতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১২৯ জন কৃতি ক্রীড়াবিদকে বিশেষ ‍‍`ক্রীড়া কার্ড‍‍` প্রদান করা হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে তারা নিয়মিত মাসিক বেতনের পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা ও আর্থিক সুবিধা পাবেন। 

সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে পর্যায়ক্রমে এই বেতন কাঠামোর আওতায় মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে নিয়ে আসার। এর ফলে তৃণমূল থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়দের আর্থিক সংকট দূর হবে এবং তারা পেশাদারিত্বের সঙ্গে খেলাধুলা চালিয়ে যেতে পারবেন।ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ৩০ এপ্রিল সিলেট থেকে দেশব্যাপী ‍‍`নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস‍‍` কার্যক্রম শুরু হবে। 

এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে মেধাবী খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে দীর্ঘমেয়াদি উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দেশের ক্রীড়া খাতের আধুনিকায়ন এবং খেলোয়াড়দের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সরকারের এই পদক্ষেপগুলো একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।