মে ২৮, ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম
জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর গুলশান বাসভবনে সরকারপ্রধানের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এই কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বৈষম্যহীন নতুন রাষ্ট্র গঠনে এই মুহূর্তে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার। সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং একমাত্র স্লোগান হচ্ছে সবার আগে বাংলাদেশ। মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন আমরা করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।
এই মূলনীতিকে ধারণ করে সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিককে সাথে নিয়ে একটি সুদৃঢ় জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায়। কোনো বিভাজন নয় বরং সবাইকে সাথে নিয়ে চলার নীতিতেই অটল রয়েছে বর্তমান প্রশাসন।
কী ঘটছে আসলে মাঠপর্যায়ে তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশে জনগণ এক মুক্ত, স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ উপভোগ করছে। এই স্বাধীন ও স্বস্তিদায়ক আবহেই দেশবাসী পরপর কয়েকটি উৎসবমুখর ঈদ উদযাপন করার সৌভাগ্য লাভ করেছে। তিনি দেশের এই ধারাবাহিক সমৃদ্ধি, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সর্বাঙ্গীণ মঙ্গলের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে সর্বস্তরের মানুষকে সম্মিলিত প্রার্থনা করার আহ্বান জানান।
ঐতিহাসিক ও পারিবারিক শ্রদ্ধাবোধের জায়গা থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে অবস্থিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন। এরপর তাঁরা বনানী কবরস্থানে গিয়ে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো এবং ডা. জুবাইদা রহমানের পিতার কবর জিয়ারত করেন। একইসঙ্গে তাঁরা পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণকারী বিডিআর-এর বীর সামরিক কর্মকর্তা এবং অন্যান্য শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের কবর জিয়ারত ও রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে এবং দলের শীর্ষস্থানীয় সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এই বিশেষ প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলে ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাডহক কমিটির সদস্য সৈয়দ ইব্রাহিম আহমদসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে অর্থনৈতিক সংস্কারের দিকেই এখন সরকারের মূল মনোযোগ রয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন