অক্টোবর ৬, ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
আন্তর্জাতিক ও সামগ্রিক প্রেক্ষাপটের কারণে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে সরকার। তবে নির্ধারিত মূল্যে যাতে সাধারণ ভোক্তারা এলপিজি গ্যাস পান, তা নিশ্চিত করতে সারাদেশের জেলা প্রশাসকদের সার্বক্ষণিক বাজার নজরদারি জোরদার করার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কিত নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই নির্দেশনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
উপদেষ্টা স্পষ্ট করে জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি গ্যাসের কোনো প্রকার ঘাটতি নেই। দেশে এলপিজির পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো অসাধু চক্র বা ব্যবসায়ী যদি কৃত্রিমভাবে এলপিজি মজুত করে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরির অপচেষ্টা চালায়, তবে সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এদিকে নিম্নআয়ের মানুষের স্বস্তির জন্য ভিজিএফ বা ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তার পরিমাণ দ্বিগুণ করা হয়েছে। বিদ্যমান মূল্যস্ফীতি এবং সামগ্রিক সামাজিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার এই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি। এই পুনর্বিন্যাসের ফলে এখন থেকে ভিজিএফ কার্যক্রমের আওতায় থাকা সুবিধাভোগীদের পূর্বের ১০ কেজি চালের পরিবর্তে পরিবারপ্রতি ২০ কেজি করে খাদ্যশস্য দেওয়া হবে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন