ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫, ০৮:৩১ পিএম
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদি বর্তমানে গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। জুলাই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই 'অসীম সাহসী জুলাই যোদ্ধা' কীভাবে আজকের সাহসী মুখে পরিণত হলেন, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, ওসমান হাদির গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটিতে। বাবা প্রয়াত মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আব্দুল হাদি। নেছারাবাদ কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষাজীবনের শুরু হলেও পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
ঝালকাঠির এনএস কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা গাজী মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম হাদির স্মৃতিচারণ করে বলেন,ছাত্রজীবন থেকে তিনি ছিলেন অসম্ভব মেধাবী।
সুবক্তার পাশাপাশি অন্যায়েয় বিরুদ্ধে কথা বলেছেন ছাত্রজীবন থেকেই।”মূলত শিক্ষাজীবন থেকেই প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন হাদি। ২০২৪ সালে শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সাহসী ভূমিকার জন্য তিনি অনেকের কাছে বিশেষ পরিচিতি পান।জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ওসমান হাদির হাত ধরে গড়ে ওঠে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনকিলাব মঞ্চ’।সংগঠনটির ঘোষিত লক্ষ্য হলো ‘সব ধরনের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র বিনির্মাণ’।
অন্যায় অপরাধের বিরুদ্ধে এই মঞ্চ থেকে দিনের পর দিন প্রতিবাদ-নিন্দা জানানো হয়েছে। টকশো ছাড়াও বিভিন্ন সভা-সমাবেশে দেওয়া তার ঝাঁঝালো বক্তব্যে তিনি দ্রুতই অনেকের কাছে অনন্য এক সাহসী মুখের প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠেন।উল্লেখ্য, এবারের ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বাধীন প্যানেল থেকে ভোট করে ইনকিলাব মঞ্চের ফাতিমা তাসনিম জুমা মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন