আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১০:২৫ পিএম
ইসলাম ধর্মের সুমহান আদর্শ, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার শিক্ষা ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে প্রতিফলিত করার মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর মতো পবিত্র দিনগুলোতে দেশের নীতিনির্ধারক ও মন্ত্রীরা মহানবীর শিক্ষা অনুসরণ করে জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের ওপর নিয়মিত গুরুত্বারোপ করে থাকেন।
স্থানীয় পর্যায়ে আয়োজিত বিভিন্ন ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সমাবেশে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের পেছনের অনুপ্রেরণা হিসেবে ধর্মীয় অনুশাসনের কথা তুলে ধরা হয়।পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর শিক্ষা ও ইসলামের আদর্শ অনুসরণ করেই বর্তমান সরকার দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
বুধবার বিকেলে নরসিংদীর পলাশ উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন ভূঁইয়া মিলটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই মাহফিলে স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন যে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মানুষের কল্যাণে যে দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেগুলোর আলোকেই কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও দরিদ্র মানুষের সহায়তার মতো জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপগুলো গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেন।
বিগত সরকারের কঠোর সমালোচনা করে মন্ত্রী আরও জানান যে মাত্র ছয় মাসের সংক্ষিপ্ত কার্যকালের মধ্যেই রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ এবং মন্দিরের মতো বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে সরকারি অনুদান পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর আগে দুপুরে তিনি নিজ বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অনুষ্ঠানে ড. আবদুল মঈন খানের সহধর্মধর্মিনী এডভোকেট রোখসানা খন্দকারসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন