বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ

গণমাধ্যম ঠিক থাকলে রাষ্ট্রের স্তম্ভ সোজা থাকবে: শফিকুর

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম

গণমাধ্যম ঠিক থাকলে রাষ্ট্রের স্তম্ভ সোজা থাকবে: শফিকুর

গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে আখ্যায়িত করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণমাধ্যম সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে রাষ্ট্রের অপর তিন সাংবিধানিক স্তম্ভ আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের মেরুদণ্ড সোজা থাকবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, গণমাধ্যম যখন সত্য আড়াল করে লুকোচুরি করবে, তখন রাষ্ট্রের এই স্তম্ভগুলোর মেরুদণ্ড সোজা থাকবে না।

মগবাজারের মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াত বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন যে রাজনৈতিক দলের বড় কোনো কর্মসূচির ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ও যুক্তিভিত্তিক সংবাদ পরিবেশন অত্যন্ত জরুরি। জনগণের ন্যায্য দাবি নিয়ে কোনো রাজনৈতিক দল যখন রাজপথে নামে এবং তা যদি জাতীয় স্বার্থের অনুকূলে হয়, তবে গণমাধ্যমের উচিত তার যথাযথ ও বস্তুনিষ্ঠ প্রতিফলন ঘটানো।

আন্দোলনের উদ্দেশ্য নিয়ে দলীয় অবস্থানের ব্যাখ্যা দেন জামায়াত আমির। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো রাজনৈতিক স্বীকৃতির আশায় কিংবা প্রশংসার জন্য তারা আন্দোলন করছেন না। তাদের এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের অধিকার পাহারা দেওয়া। উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এই দেশ শুধু সরকারি দলের একার নয়, আবার বিরোধী দলেরও একক নয়; এটি সমগ্র জনগণের দেশ। দেশ সামগ্রিকভাবে ভালো থাকলে দেশের প্রতিটি নাগরিক ভালো থাকবে, আর দেশ যদি কোনো বিপদে পড়ে তবে সেই সংকটের মুখে সবাইকে পড়তে হবে।

সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের ওপর তিনি আলোকপাত করেন। গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব উভয় দিক সমানভাবে বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সাংবাদিকরা কেবল পেশাজীবী নন, তারা এই দেশের সচেতন নাগরিক এবং রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের মূল পাহারাদার। জনগণের সঙ্গে সম্পর্কিত রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মসূচি গণমাধ্যমের কাজের পরিধির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভবিষ্যতে দলের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ ও নীতিনির্ধারণী কর্মসূচি সম্পর্কে গণমাধ্যম যেন সময়মতো তথ্য পেতে পারে, সে বিষয়ে উদ্যোগ নিতে দলীয় মিডিয়া বিভাগকে কার্যকর নির্দেশনা দেন তিনি।