রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬,

বাংলাদেশকে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তান

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ০৪:০০ পিএম

বাংলাদেশকে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তান

ছবি - সংগৃহীত

এশিয়া কাপের সুপার ফোর পর্বে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে ১১ রানে পরাজিত করে টুর্নামেন্টের ১৭তম আসরের ফাইনালে উঠেছে পাকিস্তান। এই জয়ের ফলে পাকিস্তান ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থেকে ফাইনাল নিশ্চিত করল।

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে ফাইনালে ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের মুখোমুখি হবে।৩ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে থেকে এবারের এশিয়া কাপ শেষ করল বাংলাদেশ।দুবাইয়ে টস জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক সালমান আঘা।

  • তাসকিনের শততম শিকার: ইনিংসের চতুর্থ বলেই তাসকিন আহমেদ শাহিবজাদা ফারহানকে (৪) আউট করে টি-টোয়েন্টিতে তার ১০০তম উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন।

  • বাংলাদেশের দাপট: ৫ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ফখর জামান (১৩) ও সালমান আঘা (১৯) কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে রিশাদ হোসেন জামান ও হুসেন তালাতকে (৩) দ্রুত ফিরিয়ে দেন।

  • হারিস-নওয়াজের প্রতিরোধ: ৭১ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর মোহাম্মদ হারিস (৩১) ও মোহাম্মদ নওয়াজ (২৫) দ্রুত রান তুলে পাকিস্তানকে লড়াকু সংগ্রহ এনে দেন। এই জুটি ২৪ বলে ৩৮ রান যোগ করে।

  • বোলিং নৈপুণ্য: বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ২৮ রানে ৩টি, শেখ মাহেদি হাসান ২৮ রানে ২টি এবং রিশাদ হোসেন ১৮ রানে ২টি উইকেট নেন। মোস্তাফিজুর রহমান ১টি উইকেট শিকার করেন। পাকিস্তান ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান সংগ্রহ করে।

১৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে।

  • দ্রুত পতন: প্রথম বলেই শাহিন শাহ আফ্রিদির শিকার হয়ে পারভেজ হোসেন ইমন শূন্য রানে ফেরেন। এরপর তাওহিদ হৃদয় (৫) ও সাইফ হাসানও (১৮) দ্রুত উইকেট হারান।

  • দাপট দেখান আফ্রিদি-রউফ: ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশ চরম চাপে পড়ে যায়। অধিনায়ক জাকের আলি (৫), নুরুল হাসান সোহান (১৬) দ্রুত বিদায় নেন।

  • শামীমের সর্বোচ্চ স্কোর: দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন শামীম হোসেন, যিনি ২৫ বলে ২টি ছক্কা মারেন।

  • পাকিস্তানের বোলিং: পাকিস্তানের হয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদি এবং হারিস রউফ উভয়েই ৩টি করে উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেন।

বাংলাদেশ ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৪ রান করতে সক্ষম হয়। ফলে পাকিস্তান ১১ রানে জয়লাভ করে এবং ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে।