রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬,

স্মার্ট কৃষি কর্মশালায় আধুনিক চাষাবাদের কলাকৌশল প্রশিক্ষণ

কৃষি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ১১:০৫ এএম

স্মার্ট কৃষি কর্মশালায় আধুনিক চাষাবাদের কলাকৌশল প্রশিক্ষণ

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও সঠিক নির্দেশনার মাধ্যমে কৃষিকে পেশা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী স্পেশাল স্মার্ট কৃষি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান এগ্রোয়ানের উদ্যোগে আয়োজিত ৮০তম ব্যাচের এই প্রশিক্ষণে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগ্রহী কৃষক ও উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেন। সনাতন পদ্ধতির ভুলগুলো শুধরে কীভাবে বৈজ্ঞানিক উপায়ে ফলন বাড়ানো যায়, সেটিই ছিল এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য।

কর্মশালায় মূলত মালচিং পেপারের সঠিক ব্যবহার, চারা রোপণ ও বৈজ্ঞানিক পানি ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। প্রশিক্ষক সামিউল ইসলাম জানান, গাছের শিকড় বা বেডের ওপরের অংশ থেকে অন্তত ছয় ইঞ্চি নিচে পানি রাখার সূত্র মেনে চললে অতিবৃষ্টি বা জলাবদ্ধতায় ফসলের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। এছাড়া ৩০ থেকে ৫০ দিন বয়সী গাছের বিশেষ যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 

আধুনিক মালচিং পেপার সাধারণত ১২ থেকে ১৬ মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকে। এর মাধ্যমে একই জমিতে করলা, তরমুজ বা শসার মতো অন্তত তিনটি ফসল ঘরে তোলা যায় এবং মরিচ বা বেগুনের ক্ষেত্রে এক থেকে দুটি চক্র সম্পন্ন করা সম্ভব। বর্তমানে দেশে কোকোপিট ব্যবহার করে উৎপাদিত চারার বিশাল চাহিদা থাকলেও মাত্র এক শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হয়েছে।

কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অংশগ্রহণকারীরা জানান, তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক উভয় পদ্ধতিতেই তারা আধুনিক কৃষির খুঁটিনাটি শিখতে পেরেছেন। পোকামাকড় দমন, আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে নেওয়া এবং গাছের সঠিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করার কলাকৌশল তাদের প্রথাগত ধারণা পাল্টে দিয়েছে। কৃষিকে আধুনিকীকরণ ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক কৃষি খাতে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।