ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ০৯:২০ পিএম
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নের তারকশাহার হাট এলাকায় ইছামতী নদীর ওপর একটি স্থায়ী সেতুর অভাবে দুর্ভোগে পড়েছেন দুই ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও ২৫০ ফুট দীর্ঘ একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই তাদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সাঁকো ব্যবহার করে সাতনালা ও আলোকডিহি ইউনিয়নের মানুষ প্রতিদিন বেকিপুল বাজার, কিষ্টহরি বাজার, রানীরবন্দর সুইয়ারী বাজারসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজে যাতায়াত করেন।
নদীর ওপারে ইছামতী ডিগ্রি কলেজ ও ফাজিল মাদ্রাসাসহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় শত শত শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হতে হয়।
অঞ্চলটি সবজি উৎপাদনের জন্য পরিচিত হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় কৃষকেরা ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সাঁকো দিয়ে ভ্যান বা ট্রলি চলাচল অসম্ভব হওয়ায় কৃষিপণ্য পরিবহনে ৪-৫ কিলোমিটার বিকল্প পথ ঘুরতে হচ্ছে, এতে বাড়ছে উৎপাদন খরচ। জোত সাতনালা গ্রামের কৃষক হাসান আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "প্রতিটি নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা সেতুর আশ্বাস দিলেও ভোট শেষ হলে কেউ আর খবর রাখে না।
সাতনালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এনামুল হক শাহ বলেন, সাঁকোটির দুই পাশেই গুরুত্বপূর্ণ হাটবাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করছি।চিরিরবন্দর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (LGED) কর্মকর্তা মাসুদার রহমান জানান, ইছামতী নদীর ওই স্থানে সেতু নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন