বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২৬,

জকসু নির্বাচনে ১৮ কেন্দ্রের ফল প্রকাশ, কোন পদে কে এগিয়ে

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম

জকসু নির্বাচনে ১৮ কেন্দ্রের ফল প্রকাশ, কোন পদে কে এগিয়ে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ বা জকসু এবং হল সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে এখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত ১৮টি কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করেছে।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের নিচে অবস্থিত অডিটরিয়ামের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে ভিপি পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল এবং জিএস ও এজিএস পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল এগিয়ে রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার ড. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের হিসাব তুলে ধরেন।

১৮টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোট অনুযায়ী ভিপি পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ানের প্রার্থী একেএম রাকিব ২ হাজার ১৫৪ ভোট পেয়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রশিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান প্যানেলের প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ২ হাজার ১২৯ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ২৫ ভোটের ব্যবধান থাকায় লড়াইটি অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়ে উঠেছে।

সাধারণ সম্পাদক বা জিএস পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থী আব্দুল আলিম বড় ব্যবধানে নিজের আধিপত্য বজায় রেখেছেন। তিনি এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়েছেন। বিপরীতে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ১ হাজার ৩০ ভোট।

অর্থাৎ জিএস পদে শিবিরের প্রার্থী ১ হাজার ৩৩৪ ভোটের বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। অন্যদিকে সহ-সাধারণ সম্পাদক বা এজিএস পদেও শিবিরের মাসুদ রানা ২ হাজার ৭৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের তানজিল পেয়েছেন ১ হাজার ৭৭৯ ভোট।বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখন বাকি ২১টি কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল কাজ করছে।

বিশেষ করে ভিপি পদে ভোটের ব্যবধান খুব কম হওয়ায় শেষ পর্যন্ত জয়ের মালা কার গলায় উঠবে তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে বাকি কেন্দ্রগুলোর ভোট গণনা ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজ দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ক্যাম্পাস ও এর আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে যাতে ফলাফল পরবর্তী কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি না হয়।