জুলাই ২১, ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম
কিডনিতে পাথরের সমস্যা এখন কেবল বয়স্কদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তরুণদের মাঝেও এর প্রকোপ বাড়ছে। প্রাথমিক অবস্থায় উপসর্গগুলো শনাক্ত করা গেলে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন ও সময়মতো চিকিৎসার মাধ্যমে বড় ধরনের জটিলতা এড়ানো সম্ভব। তবে লক্ষণগুলো অবহেলা করলে কিডনি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো রোগ নির্ণয় অত্যন্ত জরুরি।
চিকিৎসকদের মতে, কিডনিতে পাথর হলে পিঠের এক পাশে বা কোমরের নিচের অংশে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। অনেক সময় এই ব্যথা তলপেট কিংবা কুঁচকির দিকেও ছড়িয়ে পড়ে, যা স্বাভাবিকভাবে দাঁড়ানো বা হাঁটা বেশ কঠিন করে তোলে। এছাড়া পাথর মূত্রনালিতে চলে এলে প্রস্রাবের সময় তীব্র ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভূত হতে পারে।
এই সমস্যার আরেকটি সাধারণ লক্ষণ হলো প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া, যার কারণে প্রস্রাবের রঙ লাল বা বাদামি হতে পারে। ব্যথার পাশাপাশি অনেকের বমি ভাব বা বমি হওয়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আবার সংক্রমণের কারণে জ্বর ও কাঁপুনিও হতে পারে। এসব লক্ষণ দেখা দিলে নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন