জুন ২২, ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
স্মার্টফোন আনলক থেকে শুরু করে অপরাধী শনাক্তকরণে বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। মানুষের মুখের বিভিন্ন জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে ডিজিটাল পরিচয় তৈরির মাধ্যমে মূলত এই আধুনিক প্রযুক্তিটি কাজ করে।তবে এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
এই প্রযুক্তির প্রধান সুবিধা হলো এর গতি ও সহজ ব্যবহারিক পদ্ধতি। এটি বিমানবন্দর, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবায় জালিয়াতি রোধসহ সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও জনাকীর্ণ এলাকায় সন্দেহভাজন অপরাধী বা নিখোঁজ ব্যক্তিদের দ্রুত খুঁজে পেতে এই ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করছে।
কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত নজরদারির কারণে মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়ার পাশাপাশি আলো বা ক্যামেরার কোণের ত্রুটির কারণে ভুল ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার ঝুঁকিও থেকে যায়। বিশ্বজুড়ে এই প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে তাই এখন কঠোর আইনি কাঠামো ও ডেটা সুরক্ষার নীতিমালা তৈরির দাবি উঠছে।
বাংলাদেশেও বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা ও জাতীয় নিরাপত্তায় ধীরে ধীরে মুখাবয়ব শনাক্তকরণের এই আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার ঘটছে। এই প্রযুক্তির বৈপ্লবিক সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা সমান গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিক অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে প্রযুক্তির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করাই এখনকার মূল চ্যালেঞ্জ।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন