অক্টোবর ১, ২০২৬, ১১:১১ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য দুই দফা বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগের পরও ক্রিস্টা পাইক নামের এক নারী বেঁচে আছেন। শারীরিক জটিলতা ও হৃদস্পন্দন সচল থাকায় প্রক্রিয়াটি স্থগিত করে তাকে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
১৯৯৫ সালে ১৮ বছর বয়সে সহপাঠী হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘ ৩২ বছর কারাগারে থাকার পর বুধবার স্থানীয় সময় রাতে তার দণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়। টেনেসি অঙ্গরাজ্যের ইতিহাসে গত ২০০ বছরের মধ্যে তিনিই প্রথম নারী, যার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছিল।
দণ্ড কার্যকর স্থগিত ছিল না।
কার্যক্রম শুরুর মাত্র এক ঘণ্টা আগে ষষ্ঠ সার্কিট আপিল আদালত প্রক্রিয়াটিতে স্থগিতাদেশ দেন। তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই আদেশ বাতিল করার পরপরই রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটে ইনজেকশন প্রয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
কারাগার সূত্রে জানা যায়, পেন্টোবারবিটাল নামের প্রাণঘাতী রাসায়নিক প্রয়োগের পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও তার হৃদযন্ত্র সম্পূর্ণ বন্ধ হয়নি এবং তিনি ব্যথায় কাতরাচ্ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীকে কক্ষ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষাক্ত রাসায়নিক দেওয়ার পরও তার শারীরিক সাড়া মিলছিল। প্রাণ না যাওয়ায় আইনজীবীরা জরুরি আইনি আবেদন দাখিল করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ জানান। বর্তমানে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন