অক্টোবর ২১, ২০২৬, ১১:২৯ এএম
ভারতে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন দমনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ অবিলম্বে বন্ধ করতে দেশটির সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা।
মঙ্গলবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে তারা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং উদ্ভূত পরিস্থিতির একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার তাগিদ দেন।
বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। এমনকি আটক ও বিক্ষোভ দমনের সময় তাদের অনেকে শারীরিক নির্যাতন এবং দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছেন বলেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়, বিক্ষোভকারীদের ওপর বলপ্রয়োগের জেরে অনেকেই রক্তাক্ত ও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে বিক্ষোভ চলাকালে এবং পরবর্তী সময়ে হেফাজতে নেওয়ার পর আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা ও লিঙ্গভিত্তিক নির্যাতনের যেসব তথ্য সামনে এসেছে, তাতে গভীর শঙ্কা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার মানবাধিকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও নথিবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে এই বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দিয়ে থাকে। তবে তারা জাতিসংঘের প্রাতিষ্ঠানিক বেতনভুক্ত কর্মকর্তা নন, বরং সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেন।
চলতি মাসে ভারতে এই আন্দোলনের নেতৃত্বে রয়েছে দেশটির বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো, ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং বিভিন্ন সক্রিয় ছাত্র সংগঠন।
জাতীয় ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাগরিকের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামেন বিক্ষোভকারীরা। এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন