নভেম্বর ৭, ২০২৫, ১০:২২ এএম
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে তা হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং রক্তনালীর ব্লক হওয়া সহ বিভিন্ন মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই শরীরে অতিরিক্ত খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) জমলে, তা কমানো অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যাভ্যাসে কিছু সাধারণ পরিবর্তন আনলে কোলেস্টেরল সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
১. ওটস ও ফাইবার সমৃদ্ধ বীজ
ওটসে রয়েছে বিটা-গ্লুকান নামে একটি দ্রবণীয় ফাইবার, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ওটসের পোরিজ বা স্মুদি খেলে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি শোষণ রোধ হয়। এছাড়া ফ্ল্যাক্সসিড ও চিয়া সিডে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফাইবার থাকে, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে দারুণ সহায়ক।
২. বাদাম ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
বাদামে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) বাড়ায়। প্রতিদিন একমুঠো ভেজানো বাদাম বা আখরোট খেলে তা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
৩. সামুদ্রিক মাছ
সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সপ্তাহে অন্তত দুইবার সামুদ্রিক মাছ খেলে রক্তে চর্বির মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
৪. অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েল হলো একটি স্বাস্থ্যকর আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটের ভালো উৎস। এটি শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে রক্তনালীগুলোকে নমনীয় রাখে। রান্নায় বা স্যালাডের সঙ্গে অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে তা হার্টের জন্য খুব উপকারী।
৫. রসুন
রসুনে থাকা 'অ্যালিসিন' নামক যৌগটি শরীরে কোলেস্টেরল উৎপাদন কমাতে সহায়তা করে। প্রতিদিন এক কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়া বা রান্নায় রসুন ব্যবহার করলে তা কোলেস্টেরল কমানোর ক্ষেত্রে কার্যকরী প্রভাব ফেলে।
এই খাবারগুলো নিয়মিত ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি প্রতিদিন হালকা ব্যায়ামের অভ্যাস করলে হৃৎপিণ্ড সুস্থ থাকবে এবং কোলেস্টেরলজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন