এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
মানবাধিকার ছাড়া কোনো দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতে পারে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ন্যায়বিচার নিশ্চিতে দ্রুত মামলার উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা আর্থিকভাবে সামর্থ্যহীন, তাদের আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ন্যায়বিচারের বিষয়টি যেন কেবল আইনের বইয়ে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং এটি প্রতিটি মানুষের জীবনে বাস্তব হয়ে ওঠে—সে লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার।
সরকারপ্রধান উল্লেখ করেন, ন্যায়পরায়ণতা তখনই অর্থবহ হয় যখন আইন মানুষের মর্যাদা সংরক্ষণ এবং অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যম হয়ে ওঠে। ন্যায়বিচার পাওয়া প্রতিটি মানুষের সাংবিধানিক অধিকার।
এই অধিকার চর্চা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সব ধরণের আইনি সহায়তা বা লিগ্যাল এইড প্রদান করবে।বিচার ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে আনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার বিলম্বিত হওয়া মানেই বিচার অস্বীকার করা। এই বাস্তবতা বিবেচনা করে মামলার আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একে তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার সুরক্ষায় সরকারের একটি গভীর নৈতিক অঙ্গীকার হিসেবে অভিহিত করেন।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিচারিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে ডিজিটালাইজেশন এবং আইনি সহায়তার প্রসারে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। সাধারণ মানুষের প্রাপ্ত অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয় ওই অনুষ্ঠান থেকে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন