জুন ১১, ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম
দেশের সার্বিক সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত নতুন জাতীয় বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতের জন্য সর্বমোট ৪২ হাজার ২৯১ কোটি টাকা বরাদ্দের বড় প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে এই গুরুত্বপূর্ণ খাতে ৪০ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হলেও পরবর্তীতে সংশোধিত বাজেটে তা সামান্য কমিয়ে ৪০ হাজার ৫০২ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
ফলে বিদায়ী শেষ অর্থবছরের সংশোধিত রূপরেখার তুলনায় এবার এই সংবেদনশীল খাতে মোট ১ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা পরিচালন ও উন্নয়ন বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর উত্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন বাজেটে এই সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করা হয়।নতুন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সরকারের এই প্রথম মেগা বাজেটের সর্বমোট বিশাল আকার নির্ধারণ করা হয়েছে রেকর্ড ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
প্রতিরক্ষা খাতের ভেতরের বরাদ্দের সুনির্দিষ্ট খতিয়ান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে আগামী অর্থবছরে মূল প্রতিরক্ষা সার্ভিসের নিয়মিত সামগ্রিক পরিচালন ব্যয় বাবদ ৩৮ হাজার ৭২১ কোটি টাকা এবং নতুন প্রযুক্তিগত অবকাঠামো নির্মাণের জন্য উন্নয়ন ব্যয়ের অংশে ১ লাখ ৬১১ কোটি টাকা বরাদ্দের কড়া প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ অন্যান্য বেসামরিক ও বিশেষায়িত সার্ভিসের বার্ষিক পরিচালন ব্যয় হিসেবে আরও ১ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি উপস্থিতিতে বর্তমান নতুন বিএনপি সরকারের পক্ষে এই ঐতিহাসিক বাজেট প্রস্তাবনা পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ৫৫তম বাজেট এবং নতুন মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি তার জীবনের প্রথম বাজেট উপস্থাপন। দেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন প্রজেক্ট ফোর্সেস গোল সচল রাখতে এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে এই বর্ধিত বাজেট বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন জ্যেষ্ঠ সামরিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন