রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬,
পোশাক খাতে অস্থিরতা

গার্মেন্টসে অস্থিরতায় ওপার থেকে ইন্ধন জোগানো হচ্ছে, হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক

নভেম্বর ১, ২০২৬, ১০:০৮ পিএম

গার্মেন্টসে অস্থিরতায় ওপার থেকে ইন্ধন জোগানো হচ্ছে, হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

দেশের তৈরি পোশাক খাতে চলমান অস্থিরতার পেছনে সীমান্তের ওপার থেকে পরিকল্পিতভাবে ইন্ধন জোগানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, সাধারণ ও নিরীহ শ্রমিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য ও শিল্প উৎপাদন ধ্বংস করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। সরকার যেকোনো মূল্যে এই ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতা কঠোর হাতে দমন করবে।

রোববার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, পোশাক খাতের আন্দোলনের বিভিন্ন ধাপে বহু মুখোশধারী ঢুকে পড়েছে। তারা নিজেদের হীন রাজনৈতিক ও কায়েমি স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা চালাচ্ছে। সরকারের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর হাতে যেসব তথ্য এসেছে, তা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নিরীহ শ্রমিকদের সামনে রেখে মূলত সীমান্তের ওপার থেকে উসকানি দেওয়া হচ্ছে। তাদের মূল লক্ষ্য দেশের উৎপাদন ব্যবস্থাকে থমকে দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত করে চরম এক অস্থিরতা তৈরি করা।

সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যারা বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, তাদের ইতোমধ্যে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যেকোনো নাশকতা ও ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে পুলিশসহ সব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের অবস্থানের ব্যাখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রশাসন সারা দেশে শান্তি, শৃঙ্খলা এবং সামগ্রিক উন্নয়ন অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ সময় পোশাক শিল্পের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই শিল্পের সূচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার ঐতিহাসিক অবদানকে জাতি সবসময় শ্রদ্ধাভরে স্বীকার করে। সরকার চায় বাংলাদেশের এই পোশাক শিল্প আরও দ্রুত বিকশিত হোক এবং জাতীয় রপ্তানি খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও সুদৃঢ় করুক।